দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরি করতে সারাদেশে শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’। এরই অংশ হিসেবে শরীয়তপুরে আনন্দঘন পরিবেশে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২ মে) বিকেলে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সারাদেশব্যাপী এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। একই সময়ে শরীয়তপুরের ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ স্টেডিয়ামে স্থানীয়ভাবে বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার একেএম নাসির উদ্দিন কালু, সিভিল সার্জন ডা. রেহান উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রত্যয় হাসান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ওয়াহিদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভির হোসেন, শরীয়তপুর ক্রিকেট একাডেমির সভাপতি দুলাল খান, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদার এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রবিন।
এ সময় স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণে ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু হয়েছিল নতুন কুঁড়ির। বাংলাদেশ টেলিভিশনের আশির দশকের জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক প্রতিভা উঠে এসে শিল্প অঙ্গনে। বহু বছর পর সেই পরিচিত নাম আবার ফিরে এসেছে, তবে এবার মঞ্চ নয়, সবুজ মাঠ-গালিচায়। যাত্রা শুরু হলো নতুন এক স্বপ্ন- ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’এর।
১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের অংশগ্রহণে এই প্রতিযোগিতায় ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ নানা খেলা রাখা হয়েছে। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ঢাকায় চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিযোগিতা শেষে সেরা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-তে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি তাদের জন্য বিশেষ ক্রীড়া বৃত্তির ব্যবস্থাও থাকবে।
আয়োজকরা আশা করছেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে, যারা ভবিষ্যতে দেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে।
নতুন কুড়ি স্পোর্টস সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে নতুনকুড়িডটগভডটবিডি ওয়েবসাইটে।